Description
অ্যালোভেরা জেলের নিয়মিত ব্যবহার আপনাকে দেবে দাগহীন ত্বকের প্রতিশ্রুতি।ত্বক ফাটার সমস্যা সমাধান করে ত্বকের আদ্রতা ও ইনফেকশন দূর করে প্রাকৃতিক ভাবে আপনি পাবেন দাগহীন ত্বক।এটি সব ধরনের ত্বকের ক্ষেত্রে উপযোগী। বিশেষ করে সেনসিটিভ স্কিনযাদের, যারা স্কিনে কিছু ব্যাবহার করলেই রেশ বা ব্রণ উঠে তাদের জন্য এটি খুব উপকারী।এর ব্যাবহার ত্বকের অতিরিক্ত তেলতেলে ভাব কমিয়ে ত্বককে করে লাবণ্যময়।কোন আর্টিফিশিয়াল কালার ছাড়া একেবারে স্বচ্ছ অ্যালো জেল।
অ্যালোভেরা জেলের ব্যবহারের উপকারিতাঃ-
১) মুখের কালো দাগছোপ দূর করে।
২) অ্যালোভেরা জেল ব্রনের দাগ দূর করে।
৩) অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে মেকাপ সহজে তোলা যায়, এতে কোন প্রকার যন্ত্রনা হয় না।
৪) অ্যালোভেরা জেল ত্বককে নরম করে।
৫) ত্বকের জ্বালা পোড়া কমাতে অ্যালোভেরার ভূমিকা অনেক।
৬) কোষে অক্সিজেন সরবারহ করে এবং টিস্যুকে শক্তিশালী করে।
৭) মেছতার কঠিন দাগ দূর করতে সাহায্য করে।
৮) সানবার্ন থেকে মুক্তি দিবে।
৯) অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরী উপাদান ত্বকের ইনফেকশন দূর করে।
১০) অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও ময়েশ্চারাইজিং উপাদান সমৃদ্ব।
১১) ত্বকের পরিচর্যার জন্য অ্যালোভেরা জেল অত্যন্ত চমৎকার স্ক্রাব হিসেবে কাজ করে।
ব্যবহার বিধিঃ মুখ ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ব্যবহার করা যায়. নির্দেশনাঃ শুধুমাত্র বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য প্রযোজ্য
১।ময়েশ্চারাইজার হিসেবে-
এতে অল্প মেনথল থাকায় মুখে দেয়ার সাথে সাথে ঠাণ্ডা অনুভুতি লাগে। এতে করে স্কিনে কোন রেশ/ লালছে ভাব থাকলে সেটা বেশ কমে আসে। তাছাড়া স্কিনে নতুন রেশ/ হোয়াইট হেড উঠছে টের পেলে মুখ ধুয়ে হাল্কা করে লাগিয়ে নিতে পারেন।রেশ ওঠার আগেই চুলকানি/ রেডনেস চলে যায়। এতে কোন অয়েল বেসড উপাদান না থাকায় এটা অয়েলি স্কিনে দেয়ার কিছুক্ষন পড়েই একদম ম্যাট হয়ে মিশে যায়।
২। আই মাস্ক হিসেবে-
চোখের চারপাশের মাসল টায়ার্ড লাগলে ঠাণ্ডা অ্যালোভেরা জেল মোটা লেয়ার করে চোখের চারপাশে লাগিয়ে নিতে পারেন।
৩। বডি ময়েশ্চারাইজার হিসেবে-
এটা এত লাইট যে ইজিলি গোসলের পর অয়েলি স্কিনে বডি ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ইউজ করা যায়। এতে একটুও চিটচিটে ভাব হয় না।
৪।বিভিন্ন হেয়ার প্যাকে-
যেকোনো হেয়ার প্যাকে ইজিলি ১ -২ টেবিল চামচ অ্যালো জেল ইউজ করতে পারবেন। একদম ন্যাচারাল অ্যালোভেরা পাতা থেকে আপনি যে রেজাল্ট পান তেমন ফলই পাবেন। অনেকে ভাবতে পারেন এটা একটা প্রিজারভেটিভ দেয়া কসমেটিক, হোমমেড মাস্কে মেশানো যাবে কিনা। হ্যাঁ, যাবে। এটা খুবই ভারসেটাইল প্রোডাক্ট। আপনার চুলে যদি এমনি অ্যালোভেরা স্যুট করে তবে এই জেলটাও আপনি যেকোনো মাস্কে ইউজ করতে পারবেন।
৫। লিভ-ইন কন্ডিশনার হিসেবে-
গোসলের পর চুলের এক্সট্রা পানি ঝরিয়ে নিয়ে/ চুল একটু শুকিয়ে আসলে, ভেজা ভেজা চুলে আধা চামচ অ্যালো জেলে আধা চামচ পানি মিশিয়ে স্ক্যাল্প ছাড়া শুধু চুলের বডিতে নরমাল লিভ ইন কন্ডিশনারের মত আমি প্রায় ইউজ করি। চুলের ফ্রিজি ভাব, লালচে ভাব এবং ফ্লাই আওয়ে হেয়ার প্রিভেন্ট করে।
৬।রকমারি ব্যবহার-
এছাড়াও এটাকে সেভিং জেল, হেয়ার জেল, কিউটিকল কেয়ার,মেকাপ রিমুভার অথবা সানবার্ন সুদিং জেল হিসেবে ছেলে মেয়ে সবাই ইউজ করতে পারে। কাঁটা ছেড়ার উপরে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল মলমের মত এটা ইউজ করতে পারেন। নরমাল ন্যাচারাল অ্যালো জেলের মতই এটা সব ক্ষেত্রে কাজ করে।










